Homeমতামতচা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির আন্দোলন ও বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার

চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির আন্দোলন ও বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার

-

দেশের চা শ্রমিকরা দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরিসহ চার দফা দাবিতে এক মাসের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছেন। অন্য তিনটি দাবি হলো—২০২৩ সালের গেজেট বাতিল, যাতে বছরে মজুরি মাত্র ৫ শতাংশ বাড়ানোর বিধান রয়েছে; চা জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা; এবং অবিলম্বে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের (বিটিডব্লিউইউ) নির্বাচন দেওয়া।

২০২৩ সালের গেজেট অনুযায়ী ৫ শতাংশ মজুরি বাড়ানোর পর চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৮৭ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৬ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ বেড়েছে মাত্র ৯ টাকা। বর্তমান বাজারে পরিবার নিয়ে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য এই মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের কাছে নিষ্ঠুর তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।

আন্দোলনকারী চা শ্রমিকরা বলছেন, পাঁচ সদস্যের একটি শ্রমিক পরিবারের শুধু খাদ্যচাহিদা পূরণ করতেই প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা প্রয়োজন। এর বাইরে শিক্ষা, চিকিৎসা, বস্ত্র, বাসস্থানসহ অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন রয়েছে। ফলে ৫০০ টাকা মজুরির দাবি কোনো বিলাসিতা নয়, শুধু খাবার খেয়ে পরের দিন কাজ করবার দাবি মাত্র।

সাধারণত প্রতি দুই বছর পরপর মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের দরকষাকষির মাধ্যমে চা শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হতো। ২০২২ সালে ৩০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের আন্দোলনের পর শ্রমিকদের মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১২০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা করা হয়েছিল।

কিন্তু একতরফাভাবে জারি করা ২০২৩ সালের গেজেটে এই দরকষাকষির বদলে বছরে মাত্র ৫ শতাংশ মজুরি বাড়ানোর ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর ফলে দৈনিক মাত্র ৮ থেকে ৯ টাকা করে মজুরি বাড়ে, যা একেবারেই অপ্রতুল। এ কারণেই শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি ২০২৩ সালের গেজেট বাতিল চাইছেন। 

এখানে উল্লেখ করা দরকার, চা শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের মেয়াদ গত মাসেই শেষ হয়েছে। এর আগে জুলাইয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছিলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে আগস্টে মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংশোধন করা হবে।

চা শ্রমিকদের আরেকটি দাবি হলো অবিলম্বে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন আয়োজন করা। সর্বশেষ এই ইউনিয়নের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাধারণ শ্রমিকদের স্বার্থের বদলে মালিকপক্ষের স্বার্থ রক্ষার অভিযোগ উঠেছে। 

সম্প্রতি ৫০০ টাকা মজুরি আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী গীতা রানী কানুকে এই ইউনিয়ন নেতাদের একাংশের করা মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এটা মজুরি আন্দোলনকে দুর্বল করতে বাগান মালিক ও সরকারের সঙ্গে কতিপয় ইউনিয়ন নেতার গাঁটছড়া বাঁধার ইঙ্গিত দেয়।

চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলেই চা বাগান মালিকেরা দাবি করেন, টাকার হিসেবে চা শ্রমিকরা দৈনিক ১৮৭ টাকা মজুরি পেলেও অন্যান্য যেসব সুবিধা তারা ভোগ করেন, সেগুলোর আর্থিক মূল্য ৫০০ টাকারও বেশি। চলুন দেখা যাক, বাগান মালিকরা কোন কোন ‘সুবিধাকে’ মজুরির হিসেবে দেখান এবং বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুসারে সেগুলোকে আসলেই অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা। 

এসব সুবিধঅর মধ্যে রয়েছে রেশন, বাসস্থান, চিকিৎসা সুবিধা, পেনশন, শ্রমিকদের সন্তানের শিক্ষা, পানি সরবরাহ, মশা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ ছিটানো, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গামছা সরবরাহের মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচি, শ্রমিকদের বসতির আশপাশে উৎপাদিত ফলমূল ও শাকসবজির মূল্য, বাড়তি পাতা তোলার বোনাস এবং ভবিষ্য তহবিলে মালিকের দেওয়া চাঁদা।

কিন্তু বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী রেশন ছাড়া এসব সুবিধার কোনোটিকেই মজুরি হিসেবে গণ্য করা যায় না। শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২(৪৫) ধারায় বাসস্থান, আলো, পানি, চিকিৎসাসেবা বা অন্যান্য সুবিধার মূল্য, অবসর বা ভবিষ্য তহবিলে মালিকের দেওয়া চাঁদা এবং কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত খরচের জন্য দেওয়া অর্থকে মজুরির সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ চা বাগান মালিকরা পানি সরবরাহ, মশা নিয়ন্ত্রণ ও পয়োনিষ্কাশনের মতো চা বাগান পরিচালনার অপরিহার্য খরচকে শ্রমিকের মজুরি হিসেবে দেখাতে চাইছেন। এটি শুধু শ্রম আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়, যেকোনো বিবেচনাতেই অযৌক্তিক।

চা বাগানের বিশেষ পরিস্থিতির কারণে শ্রম আইনের ৯৬ ধারায় বাগানে বসবাসকারী প্রত্যেক শ্রমিক ও তার পরিবারের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার  কথা বলা হয়েছে। এটা শ্রমিকদের জন্য মালিকের একটি বাধ্যতামূলক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা, শ্রমিকের মজুরির অংশ নয়।

এছাড়া চা শ্রমিকরা যে জমিতে বসবাস করেন, তা বাগান মালিকদের নিজস্ব জমি নয়। এগুলো সরকারি, অর্থাৎ জনগণের জমি। চা বাগানের জমি বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, বাগান মালিকরা এসব জমি সরকারের কাছ থেকে খুব কম খরচে ইজারা নেন। তাদের কোনো ইজারা ফি দিতে হয় না। শুধু একরপ্রতি বছরে ৩০০ টাকা ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হয়।

দেড়শ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে বসবাস করলেও চা শ্রমিকদের এসব জমিতে আইনি অধিকার নেই। ঐতিহাসিক সিএস ও আরএস জরিপে তাদের বসতিগুলো খাস জমি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। এর ফলে এসব জমিতে স্রেফ থাকতে দেওয়ার বিনিময়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তারা কম মজুরির শ্রমে আটকে আছেন।

প্রশ্ন আসতে পারে, মজুরি এত কম হলে চা শ্রমিকরা বাগানের কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন না কেন? কারণ কাজ ছেড়ে দিলে তাদের কয়েক প্রজন্মের বসতবাড়িও ছেড়ে দিতে হবে। ওই বাড়িই তাদের একমাত্র ঠিকানা। আইনি অধিকার না থাকায় সেই জমিটুকু ধরে রাখতে পরিবারের অন্তত একজনকে চা বাগানে কাজ করতে হয়।

সপ্তাহে শ্রমিক পরিবার প্রতি যে সাত-আট কেজি রেশনের চাল বা আটা দেওয়া হয়, সরকার থেকে সস্তায় লিজ নেওয়া বাগানের জমিতে যে ছোট্ট কুঁড়েঘরের অমানবিক পরিবেশে তাদের থাকতে দেওয়া হয় এবং বাগানে যে সামান্য স্বাস্থ্য সেবাটুকু তাদের মেলে, তার মূল্য যোগ করলেও তা বাংলাদেশের যেকোনো খাতের ন্যূনতম মজুরির থেকে কম এবং মানবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়।

দেশের অন্য যে কোন স্থানের তুলনায় চা বাগানে দারিদ্রের হার বেশি। স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানীয় জলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা। চরম দরিদ্রতা, অপুষ্টি ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে বাধ্য হওয়ায় দেশে যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, ম্যালেরিয়া ও জরায়ু ক্যানসারের প্রবণতা চা শ্রমিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। অপুষ্টির কারণে চা বাগানের ৪৫ শতাংশ শিশুই খর্বাকায়, ২৭ শতাংশ শীর্ণকায় এবং স্বল্প ওজনের শিশু ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ। 

ভালো ফলনের জন্য চা গাছ ছাঁটাই করে নির্দিষ্ট উচ্চতার বেশি বাড়তে দেওয়া হয় না। চা শ্রমিকের জীবনটাও অনেকটা ছেঁটে দেওয়া চা গাছের মতোই, লেবার লাইনের একটা কুঁড়েঘরে বন্দী। মধ্যযুগের ভূমিদাসের মতোই মালিকের বাগানের সঙ্গে বাঁধা তার নিয়তি।

অতি সামান্য মজুরির কারণে কোনো কোনো শ্রমিক সকালে লবণ দিয়ে এক কাপ চা ও দুমুঠো চালভাজা খেয়ে কাজে যান। যে চা তারা উৎপাদন করেন, সেটি দুধ-চিনি দিয়ে খাওয়ার সামর্থ্যও তাদের নেই। দৈনিক হাজিরা নিশ্চিত করতে পাতা তোলা শ্রমিকদের ২৩ কেজি পাতা তুলতে হয়, গাছ ছাঁটাইয়ের শ্রমিকদের অন্তত ২৫০টি গাছ ছাঁটতে হয় এবং কীটনাশক ছিটানো শ্রমিকদের এক একর জমিতে কাজ করতে হয়।

দুপুরের খাবারও অনেক সময় শুধু মরিচ ও চা পাতার চাটনি, সঙ্গে মাঝে মধ্যে মুড়ি-চানাচুর। একেকদিন কাজ করতে গিয়ে হাত-পা ফুলে যায়। ঝোপালো চা গাছের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে হাত-পা-কোমর ছিলে যায়। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, সাপ-বিচ্ছুর কামড় খেয়ে তারা বাগানে কাজ করে। সন্তানের শিক্ষা মেলে না, চিকিৎসা মেলে না। যে ঘরটিতে প্রজন্মান্তরে তার বসবাস, সে ঘরটিও তার হয় না। ঘরটি ধরে রাখতে হলে পরিবারের একজনকে অন্তত চা শ্রমিক হতেই হয়।

অন্যদিকে ব্রিটিশ মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি করপোরেশনগুলো কম খরচে সরকারি খাস জমি ইজারা নেয় এবং ভর্তুকি মূল্যে সার পায়। তারপরও শ্রমিকদের বাঁচার মতো মজুরি দিতে তাদের যত টালবাহানা। 

প্রশ্ন হলো, শ্রীলঙ্কার চা বাগানের মালিকরা যদি একজন শ্রমিককে দৈনিক ১ হাজার ৭৫০ রুপি, অর্থাৎ প্রায় ৬৫০ টাকা দিতে পারেন এবং ভারতের কেরালার ব্যবসায়ীরা যদি ৫৪৬ রুপি, অর্থাৎ প্রায় ৭১০ টাকা দিতে পারেন, তাহলে বাংলাদেশের চা বাগান মালিকরা কেন তা পারবেন না?

বাংলাদেশের চা বাগানে উৎপাদনশীলতা কম, এই অজুহাতও গ্রহণযোগ্য নয়। বাগান মালিকরা যদি উৎপাদনব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বিনিয়োগ না করেন, তার দায় শ্রমিকদের নিতে হবে—এটা কোনো কথা হতে পারে না।

এর সঙ্গে একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারও জড়িত। বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রাইস-ইনডেক্স বেইজড ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার কথা বলেছিল। পাশাপাশি আয়বৈষম্য কমানো এবং চা জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। বিএনপির প্রার্থীরাও নির্বাচনী প্রচারণার সময় চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বর্তমানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবচেয়ে বেশি চা শ্রমিকদের পাশে থাকবে। শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও বলেছিলেন, চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নকে সরকার অগ্রাধিকার দেবে।

চা শ্রমিকরা এর জবাবে বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপকভাবে ভোট দেন এবং কয়েকটি আসনে তাদের ভোট বিএনপি প্রার্থীদের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাই বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের উচিত ছিল নিজ উদ্যোগে চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো। এর বদলে শ্রমিকরা এক মাসের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করলেও সরকার তাদের দাবি মেনে নেবে, এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ৫০০ টাকা মজুরি আন্দোলনের নেত্রী গীতা রানী কানুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সরকারের উচিত তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করা। ৫০০ টাকা দৈনিক মজুরি ও ভূমির অধিকারসহ চা শ্রমিকদের চার দফা দাবি মেনে নেওয়া এবং গীতা রানী কানুকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত।

প্রতিদিন লাখ লাখ বাংলাদেশি যে চা পান করেন, সেই চা উৎপাদনের মূল্য যেন চা শ্রমিকদের চরম দারিদ্র্যের মধ্যে আটকে রাখার বিনিময়ে দিতে না হয়।

 

কল্লোল মোস্তফা: প্রকৌশলী ও লেখক; তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবেশ ও উন্নয়ন অর্থনীতি নিয়ে কাজ করেন। 

[email protected]

LATEST POSTS

ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত, ১ জনের মরদেহ উদ্ধার

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ১০ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ ও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, আজ রোববার মাকাসারের কাছে বান্টিমুরুং–বুলুসারাউং জাতীয়...

ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের বাছাই পরীক্ষায় অংশ নিলেন ৫২ হাজার প্রার্থী

শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ৮ম ব্যাচের লিখিত বাছাই পরীক্ষা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর)...

বাংলাদেশের বিদায়, ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের সঙ্গে পেরে না উঠে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকলেও ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুক্রবার দুবাইয়ে ৮ উইকেটের...

সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।আজ রোববার বাংলাদেশ সময়...

Most Popular