Homeবিনোদন‘এখনো প্রতিদিন ফোনে কথা হয়, আড্ডা দিই’

‘এখনো প্রতিদিন ফোনে কথা হয়, আড্ডা দিই’

-

এদেশের সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সফল একজন অভিনেতা আলমগীর। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় আজও মানুষ ভোলেনি। রেকর্ড সংখ্যক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তার অভিনীত বহু সিনেমা সুপার-ডুপার ব্যবসা করেছে।

একাধারে তিনি নায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক। পেয়েছেন একুশে পদকও। পাঁচ দশক ধরে অভিনয়ের এই যাত্রায় তিনি সোনালি দিনের এক সফল চিত্রনায়ক।

আজ শুক্রবার আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আরেক চিত্রনায়ক উজ্জ্বল। দুজনের পরিচয়-যোগাযোগ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে।

জন্মদিনে বন্ধু আলমগীরকে নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন উজ্জ্বল। তার মতে, নায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবে সবক্ষেত্রে সফল আলমগীরের অভিনয়গুণ অসাধারণ।

উজ্জ্বল বলেন, ‘এক ডজন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তিই স্মরণ করিয়ে দেয় আলমগীর কত বড় মাপের শিল্পী। দেশে যত বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আছেন—তাদের কেউ বেঁচে আছেন, কেউ হয়তো নেই—তাদের প্রায় সবার সিনেমায় অভিনয় করেছেন আলমগীর। এটাই প্রমাণ করে তিনি কত শক্তিশালী ও দর্শকনন্দিত একজন অভিনেতা।’

মানুষ হিসেবে আলমগীরকে ‘অসাধারণ’ উল্লেখ করে উজ্জ্বল বলেন, ‘তার একটা বিশেষ গুণ সম্পর্কে দীর্ঘ পাঁচ যুগ ধরে আমি জানি। তা হচ্ছে তার মানবিক দিক। তিনি কখনোই এটা দেখাননি। আমাদের সিনেমা শিল্পের যত শিল্পী, কলাকুশলী, পরিচালক ও প্রযোজক আছেন, নীরবে তিনি সবার খোঁজখবর রাখেন এবং যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি কখনো এসব প্রকাশ করেন না। এটি তার চরিত্রের একটি বিরল গুণাবলী।’

‘আমাদের শিল্পীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে অনেক চড়াই-উৎরাই ও সংগ্রাম থাকে। কিন্তু তিনি আদর্শ নিয়েই আছেন। আলমগীরের মধ্যে এমন কিছু কখনো দেখিনি যা অন্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আমরা কেউ কেউ অবচেতন মনে কিংবা জেনে-শুনে মানুষের ক্ষতি করি, তবে আলমগীর কখনো তা করেননি, বরং সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন নীরবে,’ বলেন উজ্জ্বল।

এদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে যারা প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন, সেই শিল্পীদের মধ্যে আলমগীর অন্যতম—উল্লেখ করে উজ্জ্বল জানান, আলমগীর শত শত সিনেমায় অভিনয় করে কোটি মানুষের মন জয় করেছেন।

দুজনের বন্ধুত্ব নিয়ে উজ্জ্বল বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, দীর্ঘ পাঁচ দশকেও আমাদের সম্পর্ক একইরকম আছে। আমাদের বন্ধুত্ব আগের মতোই অটুট। এখনো আমরা নিয়ম করে দেখা করি, সময় কাটাই, আড্ডা দিই। আমাদের আড্ডায় ঘুরেফিরে এদেশের সিনেমার কথা উঠে আসে, যারা হারিয়ে গেছেন তাদের কথা আসে। এদেশের সিনেমার কীভাবে উন্নতি হবে, তা নিয়েও আমরা কথা বলি।’

উজ্জ্বল জানান, দেশের প্রথম সিনেমা ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম প্রযোজক ছিলেন আলমগীরের বাবা।

তিনি বলেন, ‘পর্দার বাইরে আমাদের সম্পর্কটা পারিবারিক। প্রতিদিন আমাদের ফোনে কথা হয়, যোগাযোগ হয়। আমরা যখন নায়ক ছিলাম, সেই সময়ে আমরা প্রতিযোগিতা করেছি, কিন্তু কখনো প্রতিপক্ষ ছিলাম না।’

বন্ধু আলমগীরের জন্মদিনে হৃদয় থেকে ভালোবাসা জানিয়ে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন চিত্রনায়ক উজ্জ্বল।

LATEST POSTS

‘সব চুক্তির সেরা চুক্তিতে’ রাজি ভারত-ইইউ: মোদি

এক নজিরবিহীন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি হয়েছে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একে 'সব চুক্তির সেরা চুক্তি' আখ্যা দেন।আজ মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে দুই...

ছাত্রশিবির জেগে উঠলে পালানোর জায়গা পর্যন্ত পাবেন না: দেলাওয়ার

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, 'আমরা ধৈর্য ধরবো, নির্বাচনের পরিবেশকে ঠিক রাখার চেষ্টা...

বার্সেলোনার রক্ষণের নজরে তিন আর্জেন্টাইন তারকা

হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা শিবিরে এখন রক্ষণভাগের সংকট। আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন দলের বাইরে, আর মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে আছেন রোনালদ আরাউহো। রক্ষণের এই শূন্যতা পূরণে শীতকালীন...

সরকার এখনো দালাল নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মূল কাঠামোর ভেতরে ঢুকতে পারেনি: প্রধান উপদেষ্টা

প্রাতিষ্ঠানিক দালালচক্র, নথি জালিয়াতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে গভীর ও জটিল সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।তিনি...

Most Popular