Homeমতামতপ্রধানমন্ত্রীর সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ

প্রধানমন্ত্রীর সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ

-

নতুন নির্বাচন, নতুন সংসদ, দেশের নেতৃত্বে নতুন ব্যক্তি, জবাবদিহিমূলক শাসনের নতুন সম্ভাবনা। সবমিলিয়ে নতুন এই পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে জনগণের ইচ্ছারই প্রতিফলন। তারেক রহমানের নতুন নেতা হিসেবে আবির্ভাবও সেই পরিবর্তনেরই অংশ। শেখ হাসিনার পতনের আগে যা কল্পনাও করা যায়নি, গণঅভ্যুত্থানের পর সেটাই অনিবার্য বলে মনে হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময়ই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সম্ভাবনাকে প্রায় নিশ্চিত হিসেবেই ধরা হচ্ছিল।

নির্বাচনী প্রচারণায় এবং ব্যাপক বিজয়ের পরও তারেক রহমান নিজের এমন এক ভাবমূর্তি উপস্থাপন করেছেন, যিনি সংযত, চিন্তাশীল ও পরিচ্ছন্ন ভাবনার অধিকারী। শুরুটা ভালো করার কৃতিত্ব তাকে দেওয়া যায়। তবে এসব বিষয়ই এমন কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, যেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে গভীর আত্মসমালোচনা করতে হবে।

প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া যেকারো জন্যই চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। আমাদের মতো দেশের ক্ষেত্রে সেটা আরও কঠিন। আমরা প্রাণ দিয়ে দেশকে ভালোবাসলেও এটা কখনোই ভুলে যাই না যে, প্রিয় এই দেশটি পরিচালনা করা কতটা জটিল।

শুরুতেই বলা যায়, নিয়মিতই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হওয়া প্রায় ১৮ কোটির বিশাল জনসংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট ভূখণ্ডে বসবাস করে। তাদের দেখভাল করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। অনেক দেশের তুলনায় আমাদের শিল্পোন্নয়ন উল্লেখযোগ্য হলেও মূলধনের ঘাটতি, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, সরবরাহ সংকট, দুর্বল অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারণে ভুগতেও হয়। এর সঙ্গে যোগ হয় জ্বালানি স্বল্পতা। তার সঙ্গে নিয়তি হিসেবে রয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা।

বাস্তবে, এই নতুন সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের দুর্নীতি ও তার পরবর্তী ১৮ মাসের খুব বেশি কার্যকর না থাকা এক শাসনব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই যেসব স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতো, এখন সেগুলো বহুগুণ বেড়ে গেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের আছে এমন এক প্রেসিডেন্ট যিনি তার দেশের চেয়ে ইসরায়েলের স্বার্থকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে মনে হয় এবং তার খামখেয়ালি ও দুর্বোধ্য সিদ্ধান্তগুলো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে এক অস্থির পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

বেকারত্ব, কম বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানির বহুমুখীকরণ ও ব্যাংকিংখাতকে স্থিতিশীল করা বিএনপি সরকারের সামনে সবচেয়ে জরুরি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং মতের বৈচিত্র্য ও ভিন্নমত মেনে নিতে সময় লাগবে। তবে এর প্রাথমিক লক্ষণ শুরু থেকেই থাকতে হবে।

তারেক রহমানের সামনে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হতে পারে সংসদ পরিচালনা করা। আমি যদি ভুল না করে থাকি, সংসদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দল বেশ শক্তিশালী হবে।

প্রশ্ন হলো, সম্ভাব্য এতসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম পর্যাপ্ত অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য কি ক্ষমতাসীন দলে আছে?

গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা নতুন সংসদের কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছি এবং প্রত্যাশা করছি এমন সংসদের, যেখানে সংসদ সদস্যরা কেবল নিজ দলের প্রতিনিধিত্ব না করে সত্যিকার অর্থে ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

১৯৯১ সালে সংসদীয় পদ্ধতি ফেরার পর থেকে আমরা একের পর এক নির্বাচন দেখেছি, যার মধ্যে শেষ তিনটি ছিল কারসাজিপূর্ণ। এসব সংসদকে নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা একটি কার্যকর বিরোধী দলের অভাব অনুভব করেছি। ক্ষমতাসীন দলের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার পরও বিরোধী দলগুলো অনেক সময় সংসদ অধিবেশন বর্জন করে সময় নষ্ট করেছে এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিতর্ক, সরকারের দুর্নীতি কিংবা জনসাধারণের অর্থের অপব্যবহার তুলে ধরতে সংসদকে ব্যবহার করেনি বললেই চলে।

আমরা আশা করি ‘বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা’ করার সংস্কৃতি আর ফিরবে না। অর্থাৎ, বিরোধী দলের কাজই হলো সরকারের বিরোধিতা করা—এমন ধারণা থেকে সরকারের সব পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রকৃত মূল্য বিবেচনা না করেই যেন কেবল বিরোধিতা না করা হয়। কেননা, এতে সময় ও সম্পদের অপচয় হয় এবং বিতর্কের সংস্কৃতির বদলে ঝগড়ার সংস্কৃতি জন্ম দেয়। দিনশেষে এই সংস্কৃতি নিয়ে যায় তিক্ততা ও কটূক্তির দিকে।

তবে সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ও কঠিন সমস্যাটি আসবে প্রধানমন্ত্রীর নিজের দল থেকেই। বিএনপির দুটি গোষ্ঠী সরকারকে বিব্রত করতে পারে।

প্রথমটি তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাদের যদি শুরু থেকেই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে তারা সরকারি প্রক্রিয়া নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে, সেগুলোকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করবে, বিকৃত করবে এবং গ্রাম বা উপজেলা পর্যায়ের প্রকল্প ও নিয়মিত সরকারি কর্মসূচিগুলোকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে পরিণত করবে।

অপর গোষ্ঠীটি জ্যেষ্ঠ ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীরা। তারা আওয়ামী লীগের দমনমূলক শাসনামলে শারীরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ‘ক্ষতিপূরণে’র নামে এই গোষ্ঠী বিশেষ সুবিধা চাইবেন, নিপীড়নের ঘটনা তুলে ধরে দলীয় নেতার কাছে সুবিধা ‘দাবি’ করবেন। এটা দলীয় প্রধানকে কঠিন নৈতিক দ্বিধায় ফেলবে। তারা সম্মিলিতভাবে বা ব্যক্তিগতভাবে বলবেন, ‘প্রায় দুই দশক ধরে আমরা অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, আমাদের স্বাধীনতা ছিল না, আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, মানসিক শান্তি নষ্ট হয়েছে। এখন আমাদের কিছু বিশেষ সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের সেটা প্রাপ্য।’

তারা হয়তো সরাসরি বলবে না, কিন্তু ইঙ্গিত করবে যে ‘আমরা যা সহ্য করেছি, তার কারণেই আপনি আজ এই অবস্থানে।’ দুঃখজনকভাবে, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, এভাবেই অবক্ষয়ের শুরু হয়। প্রথমে ছোটখাটো সুবিধা, তারপর ছোট ব্যবসায়িক চুক্তি এবং ধীরে ধীরে সেগুলো বড় আকার ধারণ করে সুশাসনের সম্ভাবনা বিপন্ন করে তোলে।

দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কিছু পেশাজীবীও এসব দাবি নিয়ে আসবেন, যারা সরাসরি দলীয় পদে না থাকলেও নীরবে ও গোপনে দলকে সহায়তা করেছেন। তারা চাকরি, পদ, সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক সুবিধা নিতে চাইবেন এবং কিছু ক্ষেত্রে  ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিও তুলবেন। এর ফলে প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং আমলাতন্ত্রের রাজনীতিকরণের প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

উপরের সব ‘দাবি’ প্রধানমন্ত্রীর সামনে বড় নৈতিক দ্বিধা সৃষ্টি করবে। তিনি এগুলো মেনে না নিলে নিজেকে অপরাধী মনে করবেন এবং সাড়া দিলে তার সুনাম ও কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অতীত অভিজ্ঞতা শেখায় যে নতুন প্রশাসনে দুর্নীতির শুরু এভাবেই হয়। ধীরে ধীরে দলীয় অনুগতরা এবং তাদের ব্যবসায়িক সমর্থকেরা সব না হলেও অধিকাংশ সরকারি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হয়ে ওঠে। তারা কেবল এসব চুক্তির একচেটিয়া দখলই নেয় না, বাস্তবায়নও ধীরগতিতে করে। যার ফলে ব্যয় বাড়ে এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শেখ হাসিনার শাসনামল থেকে যদি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে হয়, তাহলে সেটা হবে শুরু থেকেই দলীয় কাঠামো নিয়ন্ত্রণে রাখা। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, ওলামালীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ সব ‘লীগে’র কথা মনে করে দেখুন, কীভাবে তারা দুর্নীতি করে দলের বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করেছে এবং তাদের সমর্থিত সরকারকেই বিতর্কিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী যদি কেবল ব্যাংকিং, বিদ্যুৎ ও টেলিকম—এই তিনটি খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা স্বজনপ্রীতির দিকে নজর দেন, তাহলেই পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন যে কীভাবে নিজ দলের সদস্যরাই সরকারকে টেনে নামায়।

আমি জানি বিএনপিতে থাকা আমার দীর্ঘদিনের অনেক বন্ধু এসব কথায় ক্ষুব্ধ হবেন এবং সবই অগ্রাহ্য করবেন। তবে, এটা ভুলে গেলে চলবে না—আওয়ামী লীগের নেতারাও এই ধরনের পরামর্শ অগ্রাহ্য করেছিলেন।

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে কঠিন লড়াই এবং মূলত নিজের সমর্থকদের বিরুদ্ধেই সেই লড়াই করতে হবে। সেইসঙ্গে থাকবে দুর্নীতিগ্রস্ত ও স্বার্থপর ব্যবসায়ীরা, যারা দলীয় কাঠামো ব্যবহার করে স্বার্থসিদ্ধি করবে এবং দেশের ক্ষতি করবে। এই প্রক্রিয়ায় তারা প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করবে এবং সরকারকে অজনপ্রিয় করে তুলবে।

শুরুতেই বলেছি, সাম্প্রতিক নির্বাচন, নতুন সংসদ ও সরকার—সবই জনগণের ইচ্ছার ফল। এটা শুধু নতুন নেতার জন্য নয়, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। আমরা এখন এমন এক ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি, যা হবে দুর্নীতিমুক্ত, স্বজনপ্রীতিমুক্ত, দলীয় পক্ষপাতমুক্ত এবং ভয় ও নিপীড়নমুক্ত।

তারেক রহমানের সামনে এখন যে সুযোগ রয়েছে, তা আগের কোনো দলীয় নেতার ছিল না। তিনি নবীন এবং দীর্ঘসময় বাধ্যতামূলক নির্বাসনে ছিলেন। তিনি এমন এক পরিবেশে বসে নিজ দেশ নিয়ে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন, যেখানে গণতন্ত্র, সহনশীলতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি বিরল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাতিকে নিয়ে নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ তার রয়েছে।

এটা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রধানমন্ত্রীকে অনেক কিছু করতে হবে। কিন্তু প্রথম কাজটি হতে হবে নিজের দল, সমর্থক, সহায়তাকারী, এমনকি সবচেয়ে কঠিন সময়ে পাশে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। এটি অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সেটা না করলে আমরা আবারও সেই একই দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির পথে যাব, যা হাসিনা ও তার দলের পতনের কারণ হয়েছিল।

তারেক রহমানকে তার দলকে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং সেটা এখন থেকেই। প্রবাদে যেমন আছে, ‘লোহা গরম থাকতে থাকতেই ঘা দিতে হয়’। তিনি এখন জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও ক্ষমতার সর্বোচ্চ অবস্থানে আছেন। তাকে কঠিন সব সিদ্ধান্ত এখনই নিতে হবে।

এখানেও ইতিহাসই তার পাথেয় হওয়া উচিত, যে ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে কোনো সরকার যখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকে তখনই সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনিবার্যভাবেই জনপ্রিয়তা কমে। তখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়াও ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণেই বলা হয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ‘শুরুতেই লাগাম টেনে ধরতে’ হয়।

মাহফুজ আনাম: সম্পাদক ও প্রকাশক, দ্য ডেইলি স্টার

LATEST POSTS

আধিপত্যের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে গুলি করে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।গতরাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন (৩২) ওই এলাকার মস্তু...

লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনায় চালু হচ্ছে সফটওয়্যার

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজের সিরিয়াল ও পণ্য খালাস ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও বৈষম্য দূর করতে জাহাজী সফটওয়্যার চালু করতে যাচ্ছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর।আগামীকাল শুক্রবার চট্টগ্রামে...

‘অনেক সিনেমা ও আগের মতো প্রেক্ষাগৃহ দরকার’

ঢালিউডের নন্দিত অভিনেতা মিশা সওদাগর। বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ খলনায়ক তিনি। বিদায়ী বছরে তার একাধিক সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এছাড়া মালিক ও তছনছ নামে নতুন দুটি সিনেমায়...

মমতার শহরে মেসিকে নিয়ে মহাকেলেঙ্কারি: দায়ী কে, প্রভাব কী?

একদিনে দুটি ঘটনা। প্রথমটি ভারতের কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা। অপরটি হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের। সময় রাত সাড়ে ৮টা। দুটি ঘটনার...

Most Popular